শুক্র. মে ২০, ২০২২

মোঃ রাকিবুল হাসান,
স্থানীয় প্রতিনিধি,

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয় চতুর্থ দিনের আগাম টিকেট বিক্রি।কমলাপুর সহ রাজধানীর পাঁচটি স্পট থেকে থেকে এদিন দেয়া হয় ৩০ এপ্রিলের টিকেট।তবে কমলাপুরে ট্রেনের টিকেট পাওয়া এমন সৌভাগ্যবানের সংখ্যা ছিলো হাতেগোনা।কারণ বিক্রি শুরুর দুই ঘন্টার মধ্যেই ফুরিয়ে যায় রাজশাহী,দিনাজপুর,রংপুর, লালমনিরহাটসহ প্রায় সব রুটের টিকেট।টিকেট না পেয়ে ক্ষুব্ধ বহু মানুষ।ঈদ যাত্রায় রেলের টিকেটের জন্য মঙ্গলবারও হাহাকার ছিলো কমলাপুর রেলস্টেশনে।এদিন দেয়া হয় আগামি ৩০ এপ্রিলের টিকেট। তবে বিক্রি শুরুর দুই ঘণ্টার মধ্যেই উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলগামী প্রায় সব ট্রেনের টিকেট ফুরিয়ে যায়।

টিকেট না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হয় বহু মানুষকে।আর যারা টিকেট পেয়েছেন তারা যেন হাতে সোনার হরিণ পেয়েছেন।কমলাপুর রেল স্টেশনে এমন চিত্র ধরা পড়েছে কিছুক্ষণ পরপরই।লাখ টাকার লটারি নয়।কষ্টকর বিশটি ঘন্টার দীর্ঘ অপেক্ষা।তারপর মিলেছে ঈদে বাড়ি যাবার একটা টিকেট।তাই বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাসে মেতেছেন টিকেট কাটতে আসা অনেকেই।উপচেপড়া ভিড় আর ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষার পর যারা কাঙ্খিত টিকেট হাতে পেয়েছেন তাদের চোখে-মুখে ছিলো ঈদের আনন্দ।কষ্ট ভুলে কেউ কেউ পহেলা মের টিকেটের জন্য আবারও দাড়ান নতুন লাইনে। যার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত।

যুদ্ধ ছিলো অনলাইনে টিকেট পাওয়া নিয়েও। সকাল আটটায় টিকেট ছাড়ার প্রথম মিনিটেই প্রায় আঠারো লাখ মানুষ অনলাইনে ক্লিক করেন। যদিও অনলাইনে টিকেট বরাদ্দ ছিলো চৌদ্দ হাজারের কিছু বেশি।পহেলা মে তারিখের টিকেট দেয়ার মধ্য দিয়ে বুধবার শেষ হচ্ছে ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি। এদিনই আবার শুরু হচ্ছে আগাম টিকেটের বাড়ি ফেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.