বুধ. জুলা ৬, ২০২২

এইচ,এম, সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ,
কুষ্টিয়া।

কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ৭৫ কিলোমিটার সড়কের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।কুষ্টিয়া থেকে রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ,পাবনা রুটে কাজ করছেন চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশ।এইসব রুটের বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে থ্রি হুইলার,ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও সড়কে চাঁদাবাজকারীদের রোধ করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।এইসব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ডিপার্টমেন্টাল নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন প্রসিকিশন দাখিল করছে হাইওয়ে পুলিশ।কুষ্টিয়ায় দিন দিন থ্রি হুইলারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাইওয়ে পুলিশকে কাজ করতেও বেশ ব্যাগ পেতে হচ্ছে।

ফিটনেস বিহীন যানবাহনকে মামলা দিলে প্রচুর সুপারিশের কারণে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতেও তাদের বিঘ্ন ঘটে।বর্তমানে কুষ্টিয়া মহাসড়কে চাঁদাবাজ,ডাকাত ছিনতাইকারীদের নেই কোন উৎপাত।সড়কে মাদক বহন ও নেই বললেই চলে।মহামান্য হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট ও পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা রয়েছে কোন প্রকার থ্রী হুইলার যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করতে পারবেনা।এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে কিছু অসাধু ব্যক্তি কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে তাদের কার্যবিধির উপরে কুৎসা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। গতকাল দুপুর আনুমানিক ১টার সময় কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশ ভাদালিয়া অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে ফিটনেস বিহীন যানবাহনগুলোকে মামলা দিতে গিয়ে এক রেন্ট এ কার চালকের সঙ্গে পুলিশকে বিতর্কের মধ্যে ফেলে।

এক পর্যায়ে চালক তাহার সহকর্মীদের মোবাইল ফোন করে এনে সড়কের উপরে বিশৃঙ্খলা ভাবে যানবাহন থামিয়ে যানজটের সৃষ্টি করে।এর সাথে কিছু অটো চালক যুক্ত হয়ে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অশালীন ভাবে কথা বলে বিক্ষোভ শুরু করে।এসময় সড়কে দীর্ঘ ২কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়।পরবর্তীতে বিষয়টি কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ফোন গেলে তার নির্দেশে দ্রুত কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি ছাব্বিরুল আলম ও কুষ্টিয়া ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সহ পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যানবাহন চালকদের সাথে কথা বলে যানজট নিরসন করে। হাইওয়ে পুলিশ জেলা পুলিশ যানবাহন চালক ও স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বিশ্বাসকে নিয়ে পুলিশনফাঁড়িতে আলোচনা শুরু হয়।শুরু থেকে চালকরা তাদের অভিযোগ তুলে ধরে বলেন আমরা পুলিশ প্রশাসনের প্রয়োজনে গাড়ি চাইলে আমরা গাড়ি দিয়ে থাকি।তাইলে আমাদের গাড়ি আটক করবে কেনো? এসব বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী বলেন, গাড়ি চালকরা আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অভিযোগ করেছে তার একটি প্রমাণ করতে পারভে আমি চাকুরি ছেড়ে দিবো।

সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করতে আমি বদ্ধপরিকর। যেখানে মহামান্য হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ও পুলিশ
হেডকোয়ার্টার বারবার করে বলছে মহাসড়কে কোন প্রকার অবৈধ যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। সেখানে আমার উপরে যে দায়িত্ব রয়েছে, সেই দায়িত্ব আমি গুরুত্ব সহকারে পালন করছি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাদেরকে যতটুকো ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন ততটুকো দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।অপর দিকে আলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বিশ্বাস উপস্থিত
সাংবাদিকদের বলেন, চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ওসি ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছে চালকরা তার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.