নিউজ ডেস্কঃ

মানববন্ধন এর চিত্র

চাল-ডাল তেল আটা পেঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপ’র মহাসচিব এম.গোলাম মোস্তফা ভূইয়া বলেছেন,সরকার শুধুমাত্র ধনিকশ্রেণি আর লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত।ফলে বাজার সিন্ডিকেট জনগণের পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চাল ডাল তেল আটা পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানব বন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মোস্তফা ভূইয়া বলেন,গরিব মানুষের সস্তায় ক্রয়ের শেষ পণ্য মোটা চালের কেজি পৌঁছেছে ৫০ টাকায়।চালের দামের ওপর নির্ভর করছে অন্যান্য জিনিসপত্রের দামের সমীকরন।পরিণামে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষক, শ্রমিক এবং পেশাজীবীসহ সীমিত আয়ের মানুষ। অথচ দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।চোখে পড়ছে না সারা দেশে কালো বাজারি ঠেকানোর কার্যক্রম।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন,বার বার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির উপযুক্ত কোনো কারন হাজির করতে পারেনি ব্যবসায়ীরা। বরাবরের মতো কৃত্রিম সংকট, সরবরাহে ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কথা বলেছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গুলো।খাদ্যের অভাবে এই পৃথিবীতে কখনও পণ্যের দাম বাড়াতে হয়নি সংকট লাগেনি।সংকট লেগেছে মজুতদারদের মজুতদারিতে আড়ত দারিতে।

তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করতে না পারলে অশুভ দিনের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। চাল-ডাল-তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ক্রয় ক্ষমতার ভারসাম্য সাধারণ মানুষের অধিকার।টিসিবি পণ্যের সহজলভ্যতা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ করে বাংলাদেশে দুর্নীতি, কালোবাজারি ও মজুতদারি শক্ত হাতে দমন এখন সময়ের প্রয়োজন। নতুবা আমাদের ভাগ্যে অপেক্ষা করছে চরম বিপর্যয়।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূইয়ার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভূইয়ার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, মো. আমজাদ হোসেন, মহানগর নেতা হাবিবুর রহমান, মিতা রহমান, আনোয়ারা বেগম, লি রহমান প্রমুখ।