শুক্র. মে ২০, ২০২২

অন লাইন ডেস্কঃ

দর্শক ছবিতে যে বাড়িটি দেখতে পাচ্ছেন এটি মিরপুর -১,ঢাকায় অবস্থীত। বাড়ি-১,রোড-১, ব্লক-জি, সেকসন-১,মিরপুর ঢাকা।

এই বাড়িটি যৌথ মালিকানাধীন থাকা সত্ত্বেও জালিয়াতির মাধ্যমে এটি একজনে দীর্ঘ দিন  জোরপূর্বক ভোগ দখল  করে আসছে।অথচ এটি আঃ গনি এবং সৈয়দ আহম্মেদ নামে দুজনে বসবাস করতো।তাদের সঙ্গে একটি চুক্তিপত্রও হয়েছিল যে গৃহায়ণ কতৃপক্ষের মাধ্যমে দুজনের নামে বৈধ ভাবে বরাদ্দ আনা হবে।

সেই মোতবেক আঃগনিরকাছ থেকে বাড়ি বরাদ্দের নাম করে অনেক টাকা পয়সা ও নেন সৈয়দ আহমেদ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল আঃগনিকে কিছু না জানিয়ে সৈয়দ আহমেদ ও হেমায়েত হোসেন নামে অন্য এক ব্যক্তি যোগসাজশে অবৈধ ভাবে আলফালাহ্ রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে বহুতল ভবন নির্মনের জন্য চুক্তি পত্র করেন।যা ছিল সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভুত।যেখানে বাড়ির কোনবৈধ কাগজ পত্র নাই সেখানে বহুতল ভবন নির্মান করে কি ভাবে?এদিকে আলফালাহ্ রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান তার সহকর্মীরা মিলে গৃহায়ণ কতৃপক্ষের সাক্ষর জাল করে রাজউক থেকে বহুতল ভবন নির্মানের জন্য প্লান পাশ করান এবং পেশি শক্তির দারা পুরাতন একতলা বাড়িটি ভেঙে ফেলেন।

যা অত্র এলাকার লোকজন সাক্ষী হয়ে  দাড়িয়ে আছে।এই বাড়ি ভাঙ্গায় বাধা দিতে আসলে সৈয়দ আহমেদ ও আলফালাহ্ রিয়েল এস্টেটের লোকজন আঃগনি মিয়াকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেন এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। সেই থেকে আঃগনি মিয়া প্রাণভয়ে দুরে দুরে থাকেন।যদিও আদালতের নির্দেশে বাড়িটির নির্মান কাজ আপাতত বন্ধ আছে। কারন নির্মান কোম্পানি আদালতকে কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। কিন্তু তাদের জালিয়াতির সমস্ত প্রমান আঃগনি মিয়ার নিকট রক্ষিত আছে।

যাহা গনি মিয়া সময় মত আদালত এবং গৃহায়ন কতৃপক্ষের নিকট পেশ করবেন বল জানিয়েছেন। তাই এলাকার সচেতন মানুষের কতৃপক্ষের নিকট আবেদন যে এহেন জালিয়াতি চক্রের সাথে যারা জড়িত তাদের যেন উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হয়।সেই সাথেঅবৈধ ভাবে নির্মীত ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্যও এলাকাবাসী  কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.