বুধ. জুলা ৬, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার।

কিশোর গ্যাং নেতা সাংবাদিক নামধারী অথচ অশিক্ষিত ইকবাল একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পরেও সে জামিনে এসে অপ্রতিরোধ্য ভাবে অপরাধে জড়িয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু বিতর্কিত কর্মীদের নিয়ে কিশোর গ্যাং সৃষ্টি করে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে।তাকে উত্তরায় নিষিদ্ধসহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সাজা দিয়ে দীর্ঘ বছর জেল হাজতে রাখা সময়ের দাবি বলে জানিয়েছে উত্তরার সুশীল সমাজ।কয়লা ধুলেও ময়লা যায়না। চাঁদাবাজ ইকবাল অনেকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরেও অপরাধ না ছেড়ে অপরাধকেই তার পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে।

লেখাপড়া না জানা ছেলে ইকবাল নিজের নামটিও স্বাক্ষর করতে পারেনা নোয়াখালী লক্ষ্মীপুর আলেকজান্ডার থেকে এসে আস্তানা বানায় উত্তরায়।শেল্টার নেয় উত্তরার চাঁদাবাজ সহ বেশ কিছু নামধারী প্রতারক ও আন্ডারগ্রাউন্ড অনলাইন ভার্শন ও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকের।আস্তে আস্তে তার চাঁদাবাজির সিদ্ধহস্ত জনসম্মুখে প্রকাশ পেলে পত্রিকার সম্পাদকরা তাকে বহিষ্কার করে।ইতি মধ্যে নোয়াখাইল্লা ইকবাল উত্তরার কিশোর গ্যাং এর সাথে একটি সম্পর্ক তৈরি করে ফেলে।তার এখন কোন সাংবাদিকের পরিচয় লাগেনা সঙ্ঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং নিয়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা অসামাজিক কাজ হয় এমন বাসায় প্রবেশ করে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদাবাজি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়।

তার এই অপকর্মের যোগানদাতা হয় কিছু লোভী সাংবাদিক তারা পিছন থেকে ইন্দন দেয়।এসব সাংবাদিকরা উত্তরা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন মহলে বড় বড় কথা বলে চাপাবাজি করে মূলত এরাও চাঁদাবাজ প্রকৃতির দুস্টলোক ।ইকবালের মত অশিক্ষিত সমাজের আবর্জনার ময়লা সাদৃশ্য পচা ডিমের গন্ধ নিয়ে অবৈধ পন্থায় নিজেদের পকেট ভরার কৌশলে এসব সাংবাদিকরা দারুন পারদর্শী।এদের মধ্যে একজন একদিন বলছিল ইকবালের পিছে থাকলে টাকা পাওয়া যায় ইকবালের লজ্জাস্থান পানি দিয়ে ধুয়ে দিলেও আমি খাব। এটা হল উত্তরার তথাকথিত সাংবাদিকদের চরিত্র যারা ইকবালের পিছনে ঘুরে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে ইকবালের নাম পচা ডিম হলো কেন ? কারণ ইকবাল যে প্রতিষ্ঠান বা যে ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক তৈরীর চেষ্টা করে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো না কোনোভাবে পচনের সৃষ্টি হয়ে দুর্গন্ধ বের হয় পচা ডিমের মতো।এখান থেকে ইকবালের নাম হয়েছে সবাই দিয়েছে পচা ডিম,ও যেখানেই যাবে দুর্গন্ধ ছড়াবে।উত্তরার সকল প্রেসক্লাব ও অন্যান্য সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান,সুশীল সমাজ,সেক্টর কল্যান সমিতি, উত্তরার প্রশাসন বিভাগ ইকবালের নাম শুনতে পারে না,সকলের একটাই দাবী ইকবাল উত্তরায় থাকতে পারবে না থাকলে অনেকেই লোভে বশীভূত হয়ে চাঁদাবাজির অবৈধ আয়ের আশায় হতে পারে বিপথগামী।

ইকবালের কারণে উত্তরার কিশোর গ্যাং হবে সোচ্চার।সকলের একটাই স্লোগান ইকবাল কে উত্তরা থেকে বিতাড়িত করতে হবে।ইকবালের বিরুদ্ধে বর্তমান সময়ে প্রায় আট থেকে দশটি মামলা চলমান আছে সব মামলা গুলোই চাঁদাবাজি ও অপহরণের তার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মামলা হল হলমার্কের ৩৮ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা মালেককে অপহরণ করা এবং এক কোটি টাকা চাঁদা চাওয়া অতঃপর র্যাবের হাতে গ্রেফতার।ইকবালকে নিয়ে হয়েছে রাবের প্রেস ব্রিফিং।আবার সম্প্রতি ১০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি মামলা,উত্তরা পশ্চিম থানার মামলা নং ৪৪ তারিখ ২০২২ ইংরেজি ধারা ৩৮৫/৩৮৬।

চাঁদাবাজি করে অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছিল ইকবাল কিনেছিল প্রাইভেটকার,হোন্ডা,বাড়ি করেছে লক্ষ্মীপুর আলেকজান্ডার মেঘনা নদীর পাশে সুন্দর আলিশান ডেকোরেশন করেছে রুমের মধ্যে। ইকবালের বাবা সম্প্রতি মেয়র পদে নির্বাচন করে নিজের জামানত হারায় ,হারামে বরকত নাই ইকবালের গাড়ি হোন্ডা সবকিছুই বিক্রি করতে হয় নির্বাচনের ফক্করে পড়ে । ইকবাল অবৈধ পন্থায় চাঁদাবাজি করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা কামাই করলে তার মা-বাবা স্ত্রী সবাই নাকি খুব খুশি হয়।এই কাজে পারিবারিকভাবে উৎসাহ না পেলে ইকবাল একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে থেকে আবার বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে যেনেও পারিবারিকভাবে বাধার সৃষ্টি না হওয়ার কারণে বিষয়টি পরিষ্কার।

তাদের ছেলে ইকবাল আজ সমাজের ফেলে দেয়া ডাস্টবিনের পচা ডিম হয়েছে।বর্তমানে ইকবাল জেলহাজতে আছে এবং রিমান্ডে আছে আবার আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বের হলে আবার চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অপরাধের কাজে তাকে সঙ্গ দিতে তার মত অপরাধীরা তার সাথে জড়ালেও আমাদেরকে দেখতে হবে কোন ধরনের সাংবাদিকরা ইকবালের অপরাধে আয় করা অবৈধ টাকার পায়খানা প্রস্রাব খেতে যায়।বিষয়টি নিয়ে ঐ সকল সাংবাদিক নামধারী দালালদের চরিত্র তুলে ধরাই হবে মূল ধারার সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ । অপরাধ যে করে আর যে সহে উভয়ে সমান অপরাধী।সাধু সাবধান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.